1. info@www.channelweforyou24.com : CHANNEL WE FOR YOU 24 :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় ৩৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার বছরে হাজার কোটি টাকা কর ফাঁকির অভিযোগের-শীর্ষে চিকিৎসকরা ভালোবাসায় সংসার টেকে , অবিশ্বাসে ভাঙ্গে ;দায় কার? হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৫২ লালমনিরহাটে যাওয়ার পথে বাসেই সন্তানের জন্ম, শিশুর আজীবন ফ্রি যাতায়াতের ঘোষণা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সিরাজপুরে আনন্দ মিছিল-অনুষ্ঠিত, বর্তমান বাংলাদেশে প্রায় প্রতিটি পেশাই আজ দুর্নীতি যুক্ত, কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর রেগুলেটর পুনর্নির্মাণে ৭৫১ কোটি ৭৭ লাখ টাকার প্রকল্প অনুমোদন, দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়নের পথে, কোম্পানীগঞ্জের রাজনীতিতে তিন দশকের পথচলায় যুবনেতা জাহিদুর রহমান রাজন, কলেজ পর্যায়ে অভিভাবকদের সচেতনতা ও সঠিক দিকনির্দেশনা জরুরি:

রক্ত, অশ্রু আর অসীম ত্যাগে জিয়া পরিবারের অবিনাশী পথচলা!

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক |চ্যানেল উই ফর ইউ,

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়া, আর আজকের দেশনায়ক তারেক রহমান- জিয়া পরিবারের ইতিহাস হলো রক্ত, অসীম ত্যাগ, নির্মম নির্যাতন এবং এ দেশের মানুষের সাথে এক অবিচ্ছেদ্য ভালোবাসায় লেখা এক মহাকাব্য।

চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ থেকে এই পরিবারটিকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার বহু কুচক্রী ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু ইতিহাস আর জনগণের ভালোবাসা আজ সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়ে তাঁদের আবার দেশের নেতৃত্বে বসিয়েছে, যা বিশ্বরাজনীতিতেই এক নজিরবিহীন অধ্যায়।

এই গৌরবান্বিত যাত্রার সূচনা করেন স্বাধীনতার ঘোষক ও দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর দেশপ্রেম এবং আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশের স্বপ্ন এ দেশের মানুষের হৃদয়ে গেঁথে আছে। কিন্তু এক নির্মম হত্যাকাণ্ডে তাঁকে চিরতরে কেড়ে নেয়া হলো, রেখে গেলেন এক অবিনশ্বর জাতীয়তাবাদী চেতনা।

তাঁর শাহাদাতের পর রাজনীতির রাজপথে আবির্ভূত হলেন বেগম খালেদা জিয়া। দেশের মানুষের কাছে তিনি পরিচিত হলেন ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে। তাঁর জীবন হয়ে উঠল এক ধৈর্য আর অসীম ত্যাগের মহাকাব্য।

খালেদা জিয়াকে তাঁর বহু বছরের স্মৃতিবিজড়িত ঘর থেকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করা হলো, মাটির সাথে গুঁড়িয়ে দেয়া হলো সেই বাড়ি, যেন একটি পরিবারকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার এক অপচেষ্টা। মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জড়িয়ে তাঁকে পাঠানো হলো নির্জন কারাবাসে। চরম অসুস্থতার মধ্যেও তাঁকে উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, ঠেলে দেয়া হয়েছে অনিশ্চিত এক জীবনের মুখে।

এই নির্মমতার হাত থেকে রক্ষা পায়নি জিয়া পরিবারের ছোট সন্তানও। নির্বাসিত জীবনে দূর পরবাসে পরলোক গমন করতে হয়েছে আরাফাত রহমান কোকোকে। অন্যদিকে, তারেক রহমানের ওপর চালানো হয়েছে অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন। জীবন বাঁচাতে ও দলের নেতৃত্ব ধরে রাখতে তাঁকে বেছে নিতে হয়েছিল দীর্ঘ প্রবাস জীবনের কঠিন পথ।

বছরের পর বছর ধরে জিয়া পরিবারকে রাজনীতি থেকে চিরতরে মুছে ফেলার সর্বাত্মক চেষ্টা চলেছে। কিন্তু ক্ষমতার বন্দুক বা ষড়যন্ত্রের জাল কখনো জনগণের হৃদয় থেকে এই পরিবারের নাম মুছে ফেলতে পারেনি।

ইতিহাসের সেই মহান পরিবর্তনটি আসে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। জনগণের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবং লাখো মানুষের প্রাণঢালা সমর্থনের ওপর ভর করে দেশে ফিরে আসেন তারেক রহমান। জনগণের বিপুল রায়ে তিনি গ্রহণ করেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব।

দীর্ঘ নির্যাতন আর নির্বাসনের কালরাতের অবসান ঘটিয়ে প্রমাণিত হলো, জনগণের ভালোবাসার কাছে কোনো আাঁধার বা ষড়যন্ত্র টিকতে পারে না। আর পারেনি বলেই জাতির প্রতিটি চরম সংকটে বারবার হাল ধরতে হয়েছে জিয়া পরিবারকে, যাদের কাছে বাংলাদেশই প্রথম, বাংলাদেশই জীবন-মরণ।

জিয়া পরিবারের তৃতীয় অধ্যায়ের কান্ডারি তারেক রহমান সরকার প্রধান হবার বিষয়টি ছিলো এক অনিবার্য পরিণতি। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগান নিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে দেশে নতুন এক স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেন তারেক রহমান, যেখানে সাম্য, গণতন্ত্র, কল্যাণ আর উন্নয়নই মূলমন্ত্র।

এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে তারেক রহমানের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিশ্বরাজনীতি এক নতুন ও দুর্লভ ইতিহাসের সাক্ষী হলো। পিতা জিয়াউর রহমান (১৯৮০) এবং মা বেগম খালেদা জিয়ার (১৯৯৩) পথ ধরে তারেক রহমান (২০২৬) হলেন একই পরিবারের তৃতীয় সরকার প্রধান, যিনি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন।

জাতিসংঘের সেই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর কণ্ঠে যখন ধ্বনিত হলো ত্যাগের রক্তে কেনা এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন, তখন বিশ্ব অবাক হয়ে দেখল এক পরিবারের সংগ্রাম ও বীরত্বের অবিশ্বাস্য কাহিনী।

স্বজন হারানোর ট্র্যাজেডি থেকে বিশ্বমঞ্চে বিশ্বজয়ের এই পথচলা, জিয়া পরিবারের এই ইতিহাস আসলে বাংলাদেশের মানুষেরই ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস। শাহাদাত, কারাবাস, বসতভিটা ধ্বংস, প্রিয়জনকে হারানোর বেদনা আর বছরের পর বছর ধরে চালানো অপপ্রচারের পরেও তাঁদের এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন সম্ভব হয়েছে শুধু এ দেশের কোটি মানুষের ভালোবাসার অবিনশ্বর প্রার্থনায়।

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের এই ঐতিহ্য শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবারের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং কোটি মানুষের আত্মমর্যাদার এক অনন্য প্রতীক।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট